আত্মপ্রতিকৃতিতেই আত্মজীবনী: শিল্পী ফ্রিদা কাহলোর ৫৭তম মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা

ফ্রিদা কাহলোর আত্মপ্রতিকৃতি : (Self-Portrait with Thorn Necklace and Humming-bird , 1940, Oil on canvas. 24 1/2 x 19 in. (62.2 x 48.3 cm. Nickolas Muray Collection, Harry Ransom Humanities Research Center, The University of Texas at Austin ).

“আশাকরি মৃত্যুটা আনন্দের হবে, আমি আর কখনোই ফিরে আসার প্রত্যাশা করিনা’’ মৃত্যু যন্ত্রনা কাতর শিল্পী ফ্রিদা কাহলোর উক্ত ‌ উক্তি থেকেই অনুমেয় যে, তিনি জীবনের যে প্রবাহিত স্রোতের সঙ্গী ছিলেন, সুস্হ স্বাভাবিক জীবন যাপনকারী যে কোনো মানুষের পক্ষে সেটা উপলব্ধি করা অনেকটাই দু:সাধ্য ব্যপার। Continue reading

নীল দর্পনে ধূসর আত্মপ্রতিকৃতি: শিল্পী ফ্রিদা কাহলোকে জন্মদিনের শ্রদ্ধা


২০০৫ সালে লন্ডনের টেট মর্ডান গ্যালারিতে ফ্রিদা কাহলোর প্রদর্শনীতে আমি

শিল্পকলার  জগতের সাথে যদি মহাবিশ্বর তুলনা  করি, তাহলে সেই  জগতের  লুব্ধক হবে শিল্পী  ফ্রিদা কাহলো। কারণ তাঁর সৃষ্ট শিল্পকর্মের চেয়েও শৈল্পিক  তাঁর যাপিত জীবন এবং  দু:স্বপ্নের থেকেও পরাবাস্তব।  ১৯০৭  সালের ৬ জুলাই মেক্সিকোতে জন্মগ্রহন করেন শিল্পী ফ্রিদা কাহলো। স্বপ্ন দেখেন প্যারামেডিকেল পড়ে চিকিৎসক হবেন।  মাত্র আঠারো বছর বয়সে  এক সড়ক দূর্ঘটনায় ঘুরে যায় তাঁর জীবনের মোড়। মেরুদন্ডে তিনটা ভাঙ্গনসহ ক্ষতবিক্ষত হয় কিশোরী শরীর। লোহার  রডে ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে যায় তলপেটের নীচের অংশ, জরায়ু হয় এফোড় ওফোড়। সন্তান ধারণ করা সম্ভব হয়নি আর কোনো দিনো। পরর্বতীতে তিন বারের বেশী গর্ভপাতে ফ্রিদা ভেঙ্গে যান শত গুনে। তিরিশবার অস্ত্রপচারেও তাঁকে এত ব্যাথিত  ও দূর্বল করতে পারেনি যতটা করেছে  তাঁর গর্ভের ভ্রুন নষ্ট হওয়াতে। সেই মারাত্মক র্দূঘটনার পরেও অত্যন্ত অলৌকিক ভাবে বেঁচে যান শিল্পী ফ্রিদা কাহলো। ক্রমান্বয়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক বিপর্যস্ততা তাঁকে করে তোলে দৃঢ়চিত্তের অধিকারী, মৃত্যু অবধারিত জেনেও লড়তে থাকেন আজীবন সংশপ্তকের মত। Continue reading