i named myself …

Advertisements

তারপর…

আমরা আমাদের – তৃষ্ণা গুলোকে তুলে রাখি সুদৃশ্য এক কাঠের আলমারিতে অনেক যত্নে, ভাজঁ করে; রোদে শুকানো কড়কড়ে কাপড়ের মতো-- সাবানের ঘ্রান মাখা, ল্যাভেন্ডার বা জেসমিন খুলে দেখবো বলে একদিন! আমাদের ইন্দ্রিয় গুলো কে বলে দেই সীমানা— পরিত্যক্ত মৃত রেলগাড়ির মতো সারি সারি শরীরে, পড়ে থাকে পুরোনো কোনো স্টেশনে ধাবমান যাত্রি তা দেখে না । …

দেবী বিসর্জন

জিগসয়ে’র মতো ভেঙ্গে  টুকরো করে আবার আমাকে দেবীর মতো গড়ো --- তোমার কামনার  গন্ধ মেশানো মাটিতে লেগে থাকে  পুজাঁর ঘন্টাধ্বণীর শেষ রেশটুকু পুজাঁর অর্ঘ্য শেষে দেবী বিসর্জন অনিবার্য, জেনে বিষন্ন তুমি দেবী আমি – আমার শরীরের মাটি  নদী জলে  মিশে খেলা করে বাতাস , তোমার নি:শ্বাসের নি:শব্দ  হাহাকারে ! আমার বিসর্জিত শরীর মাটি আর কাদাঁ  …

নিহন্তা

আমাদের নিঃশব্দ ভালোবাসায় সঙ্গমরত শামুকের মিলন ধ্বনি তিরতিরিয়ে ওঠে ... এক প্রাচীন পরাবাস্তব বাগানের আঙ্গিনায়, নাগেশ্বরের শাখে কামনার ফুলে, ভরা ঘ্রানে; সবুজাভ-নীল শীর্ণ সাপ ও এক — বয়ে যায় সময়ের সংকীর্ণতায়; আর আমাদের নিঃশব্দ ভালোবাসায় দীর্ঘশ্বাসের মত চেপে বসে থাকে, দুঃস্বপ্নের ডাকটিকেট রাতের খামে... একদিন— নাগেশ্বরের শাখে সাপ ও শামুকের অট্টহাসিতে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হবে …

উত্তাল লবন ঘেরা সুপ্ত হ্রদ এক

তোমার ঘামে আমার শরীর নেয়ে উঠলে মনে হয়, ক্লান্ত বিছানাও বুঝি  কাদ‍ঁছিলো – চুপিসারে, আমাদের  সঙ্গমে জেগে ওঠে শামুক যত যূথচারী, আমাদের  সঙ্গমে ভেসে ওঠে  শত শহস্র নৌকা অভিমানের, আমাদের  সঙ্গমে  চালতা ফুলের ঘ্রানে খুনসুটি করে আমার চুল ও তোমার হাতঘড়ী --- তোমার তপ্ত শ্বাসে ‍আমার দিবাস্বপ্নের খসড়াগুলি উড়ে যায় যেনো প্রজাপতি ও আগাছাফুলের   মিতালী... …

নাকফুলে নক্ষত্র

তুমি আমার ইমেইল পেয়েছো কিম্বা মেসেজ গুলো ? নাকি হারিয়েছো মাঝ পথে, তোমার কলমের মত-- ইচ্ছা হলে হাতের চেটোই  মুছে ফেলো মৈথুন শেষে, মুক্ত দানার মতো বেয়ে যাওয়া নোনতা ঘাম— আমিও লুকাই না অশ্রুবিন্দু রতিরসের আড়ালে! আমার চিঠি গুলো ইচ্ছে হলে  রেখে দিও নইলে ছিড়ে ফেলো... আমিতো রেখেছি জমা করে নাকফুলের নক্ষত্রে ভালোবাসা সবগুলো — …