কষ্ট করলে কষ্ট মেলে !

কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে কে বলেছে ? গেলোই জলে কষ্ট করলে কষ্ট মেলে! কেষ্ট এখন দাসীর ঘরে রাধার সাজ, সাঁঝেই মরে কে বলেছে কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে? কষ্ট করলে কষ্ট মেলে কষ্ট করলে কষ্ট মেলে কষ্ট করলে কষ্ট মেলে...

Advertisements

সংখ্যা বিচার

এই শহরের উপরে অভিমানি আকাশ আজ ঢেকে আছে যেনো বনভুমি কে দখল করে রাখে পাখির ডানা ... শেষ অক্টোবর টরোন্টো ২০১১

প্রত্যয়

আমি হচ্ছি সেই ‘ও’ যা সর্বদায় শব্দের পরে যোগ হয় যাতে নতুন কোনো অর্থ হয় না হয় না কোনো শব্দ গঠন ও এর পরে আর কিছু নেই সামনে আছে সব কিছুই ... দুপুর ২৯ অক্টোবর টরোন্টো

যে শহরে চলছে শুধু তাসের খেলা

নিজেকে খুঁজতে বেরিয়েছিলাম একদা— যখন মনের মাঝে ফাগুন ছিলো আগুন ছিলো ঝিনুক খাঁজে, আজকে এই মেঘহীন এক ছন্নছাড়া শহরে এসে  হয়ে মনে হলো বৃষ্টি হয়না বহুকাল ধরে, সেই আগুনে ভিজবো বলে বসে ছিলাম, শ্যাওলাধরা পুকুর ধারে— বৃষ্টি হয়না, তবুওতো বৃষ্টি হয়না কি জানি তাও বৃষ্টি হয়না ! মনের মাঝে ... ফাগুন ছিলো ছন্নছাড়া এই শহরে …

তোমার জন্য কবিতা – ২৯

তোমার গায়ে - আজ কি রঙের শার্ট বিচ্ছেদের কবিতা নাকি অনুভুতির আর্ট? হাসের ডিমের মত হালকা নীল; মুডের সাথে রেখে মিল, নাকি বাদামী চেকের মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার? শরতের ধুসরতা আঁকা সেই প্রিয় সময়ের চাকা আমি তো জানি তোমার ওর্য়াড্রোবের ইতিকথা অভিমানে ঠাসা - স্বপ্ন বহুল পাজামা আর পান্জ্ঞাবীর সুতোও জানে সে ব্যাথা! শুধু রেখে দিও …

দেবী বিসর্জন

জিগসয়ে’র মতো ভেঙ্গে  টুকরো করে আবার আমাকে দেবীর মতো গড়ো --- তোমার কামনার  গন্ধ মেশানো মাটিতে লেগে থাকে  পুজাঁর ঘন্টাধ্বণীর শেষ রেশটুকু পুজাঁর অর্ঘ্য শেষে দেবী বিসর্জন অনিবার্য, জেনে বিষন্ন তুমি দেবী আমি – আমার শরীরের মাটি  নদী জলে  মিশে খেলা করে বাতাস , তোমার নি:শ্বাসের নি:শব্দ  হাহাকারে ! আমার বিসর্জিত শরীর মাটি আর কাদাঁ  …

দধীচি

আমার জীবন সেই  যুদ্ধনিহত দূর্দান্ত সৈনিকের মতো এক দুর্ধর্ষ  যুদ্ধ শেষে— যাকে সমাধি দেয়া হয়, অত্যন্ত আড়ম্বরে একদিন! জানি, অচেনা শিশু এক ফুল চড়াবে কোমোল হাতে... হুসস্— বলে রাখি কানে কানে আমার সমাধির পাথর গুলোও  যুদ্ধের ধংসস্তুপের -- মৃত্যুর আগে আমি গোটা এক জীবন পার করেছি কুরুক্ষেত্রে তারপর হয়েছি সমাধিত ! তুমি কিন্তু যুদ্ধে যেতে …

নিহন্তা

আমাদের নিঃশব্দ ভালোবাসায় সঙ্গমরত শামুকের মিলন ধ্বনি তিরতিরিয়ে ওঠে ... এক প্রাচীন পরাবাস্তব বাগানের আঙ্গিনায়, নাগেশ্বরের শাখে কামনার ফুলে, ভরা ঘ্রানে; সবুজাভ-নীল শীর্ণ সাপ ও এক — বয়ে যায় সময়ের সংকীর্ণতায়; আর আমাদের নিঃশব্দ ভালোবাসায় দীর্ঘশ্বাসের মত চেপে বসে থাকে, দুঃস্বপ্নের ডাকটিকেট রাতের খামে... একদিন— নাগেশ্বরের শাখে সাপ ও শামুকের অট্টহাসিতে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হবে …

উত্তাল লবন ঘেরা সুপ্ত হ্রদ এক

তোমার ঘামে আমার শরীর নেয়ে উঠলে মনে হয়, ক্লান্ত বিছানাও বুঝি  কাদ‍ঁছিলো – চুপিসারে, আমাদের  সঙ্গমে জেগে ওঠে শামুক যত যূথচারী, আমাদের  সঙ্গমে ভেসে ওঠে  শত শহস্র নৌকা অভিমানের, আমাদের  সঙ্গমে  চালতা ফুলের ঘ্রানে খুনসুটি করে আমার চুল ও তোমার হাতঘড়ী --- তোমার তপ্ত শ্বাসে ‍আমার দিবাস্বপ্নের খসড়াগুলি উড়ে যায় যেনো প্রজাপতি ও আগাছাফুলের   মিতালী... …

অভিমানে অভিসার

তোমাকে ভেবে আজ আমি সুন্দরী নেফরতিতি হবো যদি প্রতিশ্রুতি  দাও-- তবে চুলে থাকবে নীল  শাপলা জোনাকির আলোর মতো জ্বলজ্বলে, আমার বাহুতে তিনটি তিল কালো সেগুলোও জ্বলবে, কালপুরুষের কোমোরের অলংকারের সেই তিনটি তারার মতো যা কিনা মিশরের  সেই তিনটি পিরামিডের মতো--- ঘোষনা করবে অসীম মহিমায় আমার শরীরে তোমার অধিকার ! প্রিয়, যদি তুমি আজ প্রতিশ্রুতি দাও, …