সীমান্তে সরল সত্যে

পুরনো পকেট থেকে উঠে এল কবেকার শুকনো গোলাপ | কবেকার ? কার দেওয়া ? কোন্ মাসে ? বসন্তে না শীতে? গোলাপের মৃতদেহে তার পাঠযোগ্য স্মৃতিচিহ্ন নেই | -স্মৃতি বড় উচ্ছৃঙ্খল, পুর্ণেন্দু পত্রী ফুলের মৃত্যু হয়, নক্ষত্রের মৃত্যু হয় এমনকি কবি বা শিণ্পীরও মৃত্যু হয়, কিন্তু তাদের সৃষ্টি হয় অমর। বন্ধু ও বন্ধুত্বেরও মৃত্যু হয় কিন্তু …

Advertisements

এটাই আমি : অমৃতা শের-গিল

জীবনের বিজ্ঞান

185N09318_7ZKB2 (2)

Self-portrait by Amrita Sher-Gil (1933)

অমৃতা শের-গিল : এটাই আমি
১৯১৩-১৯৪১

(সুনীল খিলনানীর একটি লেখা অবলম্বনে: কাজী মাহবুব হাসান এবং আসমা সুলতানা)

‘ঈশ্বর! এই যাত্রার চৌম্বকীয় আকর্ষণ থেকে অনুগ্রহ করে আমাকে রক্ষা করো’। (১) ( অমৃতা শের-গিল, ১৯৩৩)

ভ্যান গো থেকে ড্যাস স্নো, কোনো শিল্পীর অকালমৃত্যু তাকে ঘিরে বেশ লাভজনক একটি অলৌকিক আভা প্রদান করে, বিশেষ করে যদি মৃতদেহের ব্যক্তিত্ব ক্যানভাসগুলোর মতই অপ্রতিরোধ্য হয়ে থাকে। শিল্পী অমৃতা শের-গিল, বিংশ শতাব্দীর ভারতীয় শিল্পকলার প্রথম তারকা – খুবই আরাধ্য পণ্যদ্রব্যে রুপান্তরিত হয়েছিলেন, যখন মাত্র আঠাশ বছর বয়সে প্রথাবিরোধী একটি জীবন কাটানোর পর রহস্যময় একটি পরিস্থিতিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন।  শিল্পী এম এফ হুসেইন পরে যখন তার অবস্থানকে চিহ্নিত করেছিলেন ‌‌’ভারতীয় শিল্পকলার রাণী’ হিসাবে, তবে এই বিশেষণটি অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ধারমুক্ত ছিল না (২)। যখন বেঁচে ছিলেন, তার সমসাময়িক  পুরুষ শিল্পীরা প্রায়শই শের-গিলের মর্যাদা হানি করেছিলেন শুধুমাত্র একজন ‘উচ্চাকাঙ্খী প্ররোচনাদায়ী শিল্পী’ হিসাবে তাকে চিহ্নিত করার মাধ্যমে। সাংবাদিক ম্যালকম মাগেরিজ, যার সাথে শের-গিলের সংক্ষিপ্ত এবং তীব্র…

View original post 3,734 more words

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের অহিংসা দর্শন

জীবনের বিজ্ঞান

Supermoon(Photo Credit: (NASA/Aubrey Gemignani)

যদিও ডঃ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ( জানুয়ারী ১৫,১৯২৯-এপ্রিল ৪,১৯৬৮) তাঁর লেখা ও অসাধারণ বক্তৃতাগুলোয় সামাজিক নৈতিকতা আর নিউ টেস্টামেন্ট নির্ভর ভালোবাসার উপর অনেকাংশে নির্ভর করেছিলেন, কিন্তু প্রাচ্যের আধ্যাত্মিক দর্শন, মহাত্মা গান্ধীর রাজনৈতিক দর্শন, পৃথিবীর সমস্ত জীবের মধ্যে বিদ্যমান আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ক বৌদ্ধ দর্শন এবং প্রাচীন গ্রিক দর্শন তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তাঁর অমর দর্শনের মূলে ছিল ধর্ম নিরপেক্ষতা, এবং তাঁর দর্শন একগুচ্ছ নৈতিক, আধ্যাত্মিক , সামাজিক ও নাগরিক দ্বায়িত্বকে সমর্থন করেছিল আমাদের একক ও সমষ্ঠীগত মানবতাবোধকে আরো বেশী দৃঢ়তর করে তোলার জন্য। আর এই ধারণাগুলো তিনি সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছিলেন ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত ‘এন এক্সপেরিমেন্ট ইন লাভ’ শীর্ষক  একটি অসাধারণ প্রবন্ধে। এখানেই তিনি চেষ্টা করেছিলেন বিভিন্ন উৎস থেকে আসা আধ্যাত্মিক ধারণাগুলোকে সমন্বয় করে সেগুলোকে ধর্মনিরপেক্ষ একটি মূলনীতিতে রুপান্তর করার জন্য। যেখানে তিনি ছয়টি আবশ্যিক মূলনীতিকে বিশ্লেষণ করেছিলেন, যা ছিল তাঁর অহিংসা দর্শনের মূল ভিত্তি। এখানেই তিনি অহিংস প্রতিরোধ নিয়ে কিছু প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণাকে শনাক্ত করেছিলেন, এবং…

View original post 1,395 more words

মোনা লিসার হাসির নেপথ্যে বিজ্ঞান

খুব সম্প্রতি ওয়াল্টার আইজাকসনের লেখা লিওনার্দো দা ভিঞ্চিকে নিয়ে জীবনীটি (Leonardo da Vinci, Walter Isaacson) পড়ে শেষ করলাম। অসাধারণ এই বইটি নানা কারণেই ব্যতিক্রম। এটি মূলত কৌতুহলী লিওনার্দোর জীবনকে অনুসন্ধান করেছে তার টিকে থাকা প্রায় ৭০০০ এর বেশী নোটবুকের পাতা থেকে। শিল্পী লিওনার্দোকে যারা চেনেন, তাদের জন্যে যেমন অনেক বিস্ময় আছে  তেমনি যারা বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী …

বিধ্বংসী ভালোবাসা (দ্বিতীয়) : শাশ্বত প্রেমের এপিটাফ

‘ভালোবাসা’ শব্দটি  অভিধানের অন্য আর যেকোনো শব্দের থেকে বহুল ব্যবহৃত এবং বোধকরি সবচেয়ে থেকে ভুলভাবে ব্যাখ্যায়িত একটি শব্দ। অনেকেই এই শব্দটির গভীরতা  সহজে উপলব্ধি করতে না পারলেও, প্রায় সবার জীবনে ভালোবাসার উপস্থিতি জানিয়ে দেয় এর গুরুত্বটা। যতটা গভীর বলে মনে করা হয়, হয়তো তার থেকেও  অনেক বেশী গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ এই শব্দটি। ভালোবাসার জন্য অনেকেই …