Our collective imaginations once connected the bright lights of the night sky in patterns meaningful to them: gods, heroes, and animals. Their lives entwined with mythologies and each culture since prehistory used these pattern to make sense of their lives in this vast universe. Modern astronomy now identifies eighty-eight constellations that mapped the celestial sphere with their continuous boundaries and with the calculus of a celestial coordinate system can specify the position of any celestial object within these constellations.  Now we also know that from earth each of those objects are so far away that we need to use the speed of light to measure the distance and every ingredient in our body is made from the elements forged by stars, we are made of star stuff, as Carl Sagan once famously said or Rumi more poetically, we are stars wrapped in skin.

But without knowing these facts I fell in love with the mesmerizing beauty of night sky very early in my life. It appealed to me not only in aesthetics but also its power to remind us of our insignificant yet infinitely precious life. We all inherited this love and connections to the sky, later reinforced by rhymes, folklores and mythical stories through countless generations.  I remember those nights watching sky in rural Bangladesh away from the pollution of city lights, the amazing feeling of discovering the patterns and recognizing the constellations with all their culture-specific nomenclatures. I used to gaze at the stars hours after hours and learned shapes and names of the constellation as many as I could.

I read the stories about them, the Orion, the hunter who lost his vision for love and later angered the earth goddess Gaia with his arrogance, or the insensitive Cassiopeia who decided to sacrifice her daughter Andromeda to appease god or the impossible fate of Perseus who later saved princess Andromeda or the great bear, known since prehistory, named after seven sages by the ancient Indian astronomers, once guided the ancient mariners to find pole star before the age of compass, and how the  seven sad daughters of Atlas immortalized as the Pleiades and many more. These mythical stories of human lives with all its complexity opened a window for me. I could relate to those stories love, hate, abandonment, betrayals, despair and the wrath of gods as well as the indomitable human spirit resilient with an everlasting hope by seeing fragments of myself in them.

Another surprising fact reminded us that the imaginary lines creating patterns of connected stars that are located light years away from each other and also in a different plane and how they change their shapes over many thousands of years. But from the perspective of the earth, they seem close to each other like chalk lines connecting the dots in an immense blackboard. If we could shift our perspective and look at the earth from somewhere distant, like, at the end of last century, Voyager did, our planet is just a tiny speck of dust in the vast expanse of space, the pale blue dot. However here on this planet, we are oblivious to our cosmic insignificance and we pride in our self-importance. Instead of connecting we are all moving further apart from each other as well from nature.

So often in personal lives, we felt displaced and disconnected. At birth, we separated ourselves from the womb with a promise of life, and we made connections as we go through our lives. A life soon to be enriched by the myriads of relationships. We disconnect ourselves from our homeland and we connect ourselves with a different land, in this process of connection and disconnection, we live our lives. As if we are carrying a set of constellations within us and we can imagine and re-imagine the lines and create a pattern of relationships in our own internal sphere, locating anything on this perceived universe through a coordinate system inbuilt in our mind. When we look at the sky it also reminds us what Sagan once told, it is our responsibility to be kind with each other, preserve and cherish our pale blue dot, the only home we’ve ever known.
আকাশের এবং মহাকাশের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের সূত্রপাত এই মহাজগতের সৃষ্টির শুরু থেকেই । একটি শিশু ঠিক কবে প্রথম  আকাশের দিকে তাকাতে শেখে বা রাতের গাঢ় অন্ধকার মাঝে রুপালী চাঁদের আলো তাকে আকর্ষণ করে, বলা সম্ভব নয় কারো পক্ষে। তবে খুব অল্প বয়স থেকেই প্রকৃতির অংশ হিসেবে মানুষের আকাশের সঙ্গে চমৎকার একটি সম্পর্ক  গড়ে তোলে।  মানুষ নিজের সাথে যেমন নিজের একটি সম্পর্ক গড়তে থাকে বেড়ে ওঠার সময়, তেমনি আকাশের সঙ্গেও তার সম্পর্ক গড়ে উঠতে থাকে ধীরে ধীরে।
আমরা সবাই  আকাশের দিকে তাকাই সূর্যের অবস্হান দেখতে বা চাঁদের সৌন্দর্য অবলোকন করতে। আকাশের গভীর গাঢ় নীল আমাদের মনে যেমন প্রশান্তি আনে তেমনিভাবে অন্ধকার রাতের আকাশে ঝলমলে নক্ষত্র বা নক্ষত্রপুঞ্জ আমাদের দৃষ্টিকে আকর্ষণ করে, আমাদের চিত্তকে করে মোহিত। আমরা হয়তো এর বৈজ্ঞানিক কোনো ব্যাখ্যা জানবার আগেই খুব গভীর ভাবে নক্ষত্রের সঙ্গে আমাদের মানব দেহের বা সত্তার একটা টান অনুভব করি। আমাদের শরীর তো নক্ষত্রকনা দিয়েই তৈরী।
এসব তথ্য না জেনেই খুব শৈশব থেকেই আমি আকাশের প্রতি গভীর টান অনুভব করতাম। ঘন্টার পর ঘন্টা আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। দেখতাম চাঁদের সৌন্দর্য্য বা গতিবিধি। দেখতাম নক্ষত্র ও নক্ষত্রপুঞ্জদের। ধীরে ধীরে চিনতে শিখলাম তাদরে নাম। জানতে চেষ্টা করলাম তাদের অবয়ব বা ইতিহাস বা পৌরাণিক কাহিনী। ক্যাসিওপিয়া, এন্ড্রোমেডা, ওরাইওন, মিথুনের জোড়া শরীর, কৃত্তিকা…
আকাশের গায়ে ৮৮টা নক্ষত্রপুঞ্জকে চিন্হিত করা হয়েছে যা আমরা আমাদের প্রিয় গ্রহ পৃথিবী থেকে দেখতে পারি, খালি চোখে বা টেলিস্কোপ দিয়ে। সেই ৮৮টা নক্ষত্রপুকে দেখতে হলে পৃথিবীর বিভিন্ন স্হানে ঘুরে ঘুরে দেখতে হবে তাদের অবস্হানগত কারণে। আমি তাদের বেশ কয়েকটিকে চিনতে শিখেছি। তাদের অবয়ব আমাকে গভীরভাবে আকর্ষণ করে। এক একটি নক্ষত্র শত শত আলোকবর্ষ দূরে বসে থাকলেও একটি সরলরেখা দিয়ে তাদেরকে আমরা এক করতে পারি। সেই সরলরেখাগুলো দিয়ে আমরা একটি নক্ষত্রপুঞ্জের শরীরকে চিত্রায়ন করতে পারি। তারপরে পৌরাণিক নানা চরিত্রের সাথে মিলিয়ে দিতে পারি। তাদের নাম ও গল্প হয় বৈচিত্র্যময়। সেই সব নামের ও গল্পের মাঝে থাকে বীরোচিত গাঁথা বা বেদনার কাহিনী। তাদের অনেকগুলোর সাথেই মিলে যায় আমাদের মানুষদের জীবনের কাহিনীর। তেমন করে একটু একটু করে আমি চিনতে শিখেছি ও জানতে শিখেছি এই নক্ষত্রপুঞ্জগুলোকে।
মানুষ হিসেবে আমরা প্রতিনিয়ত সব কিছু থেকে ছিটকে পড়ি। সব কিছুকে আমরা নিজেদেরকে বিচ্ছিন্ন করতে পচ্ছন্দ করি। মায়ের জঠর থেকে যেমন শিশু ঠিকরে বের হয় বিচ্ছিন্নতার দলিল নিয়ে তেমনি ভাবে সে জন্মে পরে সম্পর্ক সৃষ্টি করা শুরু করে এই মহাজগতের সাথে। একটু একটু করে সে সম্পর্ক তৈরী করে তার চারপাশের জগতের সাথে, আকাশের সাথে, নক্ষত্রদের সাথে। ঠিক যেমন নক্ষত্রপুঞ্জগুলো দূরে বসে থাকে কিন্তু একটি সরলরেখায় বন্দি হয়ে যায় সারা জীবনের জন্য।
আমরা সেই বিচ্ছিন্ন হওয়ার ও সম্পৃক্ততার ভিন্নমূখী টানাপোড়েন নিয়ে বেঁচে থাকি। আমরা মাতৃভূমি ছেড়ে পাড়ি জমায় বিদেশে মাটিতে। সম্পর্ক তৈরী করি আরো একটি নতুন ভূখণ্ডে। আমরা সম্পর্ক তৈরী করি প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানের সাথে আমরা সম্পর্ক তৈরী করি ধূলিকনা থেকে নক্ষত্রপুঞ্জের সাথে। মানুষ মাঝে মাঝে ভুলে যায় বা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করতে থাকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করতে এই সব সম্পর্ক থেকে। মানুষ মানুষের মাঝের পারিস্পারিক সম্পর্ক থেকে কিন্তু আকাশের পানে তাকালে এই নক্ষত্রপুন্জগুলো মনে করিয়ে দেয় আমরা সবাই একটি সরল দেখা দিয়ে যুক্ত হয়ে আছি। আমরা সবাই এক। এই মহাজগতের একটি অংশ মাত্র। আমরা সবাই যেমন একটি নক্ষত্রজগৎকে দেখি চোখের সামনে, তেমনি একটি নক্ষত্রজগতকে ধারণ করি আমারদের খুব গভীরে। আমাদের সবারই আছে একটি করে নক্ষত্রজগৎ।
রুমির কবিতার মতো আমরা সবাই চামড়ার আবরণে আবৃত এক নক্ষত্রপুঞ্জ…