জেরি কয়েনের ‘হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু’ ইবুক

জীবনের বিজ্ঞান

2018-11-17_21-33-19 (1)

জেরি কয়েনের হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু বইটির বাংলা অনুবাদ বিবর্তন কেন সত্য নামে অবশেষে সেইবই ইবুক অ্যাপ প্ল্যাটফর্মে হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে।

বইটি প্রকাশ করার জন্যে ২০১৪ সাল থেকে চেষ্টা করছি। বেশ কয়েকজন প্রকাশকের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম, সফল হয়নি (তাদের ইমেইলগুলো মনে রাথার মতই)। যারা প্রকাশ করবে বলেছিল, তারা আসলে এমনিই বলেছিল, মাঝখান থেকে বহু সময় নষ্ট হলো। অবশ্যই আমি এর মাঝে আরো কাজ করেছি, এই সুযোগে চেষ্টা করেছি, প্রায় পুরোটাই নতুন করে লিখতে। ২০১৫ সালের পাণ্ডুলিপিটি আমি উৎসর্গ করেছিলাম প্রয়াত অভিজিৎ রায়কে, ২০১৮ সালের ইবুকটিও তাঁর অমর স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত। অধ্যাপক জেরি কয়েনের কাছ থেকেও অনুমতি নিয়েছিলাম, তবে অনলাইনে প্রকাশ করার ব্যপারে উনার এজেন্টের আপত্তি ছিল । কিন্তু যেহেতু আর কোনো উপায়ই নেই, তাই নিয়মটা ভাঙ্গতে হচ্ছে। জানিনা কবে এটি হার্ডকপি আকারে প্রকাশ করতে পারবো। সবার সহযোগিতা আশা করছি।

বইটি প্রকাশ করছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

https://sheiboi.com/Pages/BookDetails.html?/Biborton-Keno-Sotya/2694
সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে…

View original post 7 more words

Advertisements

এডওয়ার্ড হপার: নিঃসঙ্গ সূর্যমুখী

জীবনের বিজ্ঞান

গ্রেট থিংকার্স প্রজেক্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে – আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান

If you could say it in words, there would be no reason to paint.  Edward Hopper

Self-portraits: Edward Hopper

এডওয়ার্ড হপার সেই সব বিষণ্ন দেখতে বহু চিত্রকর্মের চিত্রকর, যেগুলো আমাদের বিষণ্ন করে তোলেনা। এর পরিবর্তে , সেগুলো আমাদের নিঃসঙ্গতাকে শনাক্ত করতে আর মেনে নিতে সহায়তা করে যা প্রায়শই সব বিষণ্নতার হৃদয়ে লুকিয়ে থাকে।

automatAutomat (1927)

তার বিখ্যাত অটোম্যাট চিত্রকর্মে, আমরা একটি রমণীকে একাকী বসে কফি পান করতে দেখি। স্পষ্টতই অনেক রাত, আর তার গরম কাপড়ের কোট, মাথার হ্যাট দেখে আমরা বলতে পারি বাইরে বেশ ঠাণ্ডাও। ঘরটিকে মনে হয় বেশ বড়, উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত এবং সেখানে আর কাউকে আমাদের চোখে পড়েনা। অন্দরসজ্জাও খুবই ব্যবহারিক, রমনীটি দেখতে মনে হয় আত্ম-সচেতন, অপ্রতিভ, খানিকটা ভীত। হয়তো এভাবে বাইরে কোথায় একাকী বসে থাকতে সে অভ্যস্ত নয়। স্পষ্টতই যেন মনে হয় কোনো খারাপ কিছু ঘটেছে। সে দর্শককে আমন্ত্রণ জানায় তাকে নিয়ে কাহিনী কল্পনা করতে, বিশ্বাসঘাতকতা অথবা…

View original post 1,157 more words

সাই টম্বলি: সাংবেশিক আঁচড়ের বিমূর্ত ইশারা

জীবনের বিজ্ঞান

গ্রেট থিংকার্স প্রজেক্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে: আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান

বিমূর্ত শিল্পকলা সম পরিমান বিরক্ত আর সংশয় উদ্রেক করা অব্যাহত রেখেছে। আপনি হয়তো জানেন বিমূর্ত শিল্পকলা কেমন: শূন্য সাদা একটি ক্যানভাস, ঠিক মাঝখানে গভীর কালো একটি , হলুদ পটভূমির উপর  বেগুনী রঙের একটি ছোপ, আটটি ইস্পাতের দণ্ড এলোমেলো স্তুপাকারে সাজানো, এর মানে কি হতে পারে ? কেউ কি ঠাট্টা করছে আমাদের সাথে? একটা শিশুও তো পারে …..

(Rose Series)

আরো খানিকটা সহমর্মিতাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করতে (যা উপযোগী আর পক্ষপাতহীন হবে) আমাদের প্রথম মূলনীতিতে ফিরে যেতে হবে এবং জিজ্ঞাসা করতে হবে:  কোনো কিছু আসলেই যেমন দেখতে সেটি সেভাবে না দেখানোর মধ্যে ভালো কি বিষয় থাকতে পারে? বিমূর্ত শিল্পকলার কেন্দ্রীয় উদ্দেশ্যটি হচ্ছে সব ধরনের প্রতিনিধিত্বকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি আবেগের কাছে পৌছানো। সঙ্গীতের মত, বিমূর্ত শিল্পকলাকে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে ইকোইং হিসাবে (অর্থাৎ মূল শব্দ শেষ হবার পর সেটির প্রতিধ্বনি) অথবা, আমাদের আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অথবা মেজাজের একটি রুপ…

View original post 895 more words