দুটি ছবি আর কিছু ইতিহাস ভাবনা …

জীবনের বিজ্ঞান

ছবি: The School of Athens, বা  Scuola di Atene

View original post 1,315 more words

বিধ্বংসী ভালোবাসা

“শুধুমাত্র ভালোবাসাতেই আমার আগ্রহ, এবং আমি সেই সব বিষয়গুলোর সংস্পর্শে আসতে পছন্দ করি যাদের সৃষ্টি ভালোবাসাকে কেন্দ্র করেই”- রুশ চিত্রশিল্পী মার্ক শাগালের উক্তি । পৃথিবীর তাবৎ শিল্পীদের মনের কথাই হয়তো এটা । অন্তত আমার মনের কথা তো বটেই । ভালোবাসা ছাড়া সৃষ্টি কি সম্ভব ? কখনই সম্ভব নয় । শিল্পীদের ভালোবাসার প্রকৃতি যদিও বেশ অদ্ভুত …

দর্শনের সহজপাঠ – পর্ব ২ : সত্যিকারের সুখ

জীবনের বিজ্ঞান

অ্যারিস্টোটল ( ৩৮৪-৩২২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)

‘একটি কোকিল মানেই বসন্ত নয়’ – আপনি ভাবতেই পারেন এমন কোন বাক্য হয়তো এসেছে উইলিয়াম শেক্সপিয়ার অথবা অন্য কোন মহান কবির কবিতা থেকে। শুনলেও মনে হয় সেটাই তো হওয়া উচিৎ। কিন্তু বাস্তবিকভাবে বাক্যটিকে আমরা খুজে পাবো ‘দি নিকোম্যাকিয়ান এথিকস’ নামে অ্যারিস্টোটল এর একটি বইতে। বইটির নাম এরকম হবার কারণ এটি অ্যারিস্টোটল উৎসর্গ করেছিলেন তার ছেলে নিকোম্যাকাসকে। তিনি এই বাক্যটির মাধ্যমে যা বোঝাতে চাইছিলেন সেটি হচ্ছে, বসন্ত কিংবা গ্রীষ্ম এসেছে সেটি প্রমান করার জন্য একটি মাত্র কোকিলের আগমনের চেয়েও আরো বেশী কিছুর প্রয়োজন আছে এবং একটি উষ্ণ দিন, বা অল্প কিছু মহুর্তের আনন্দ আর সত্যিকারের সুখ কিন্তু এক নয়। অ্যারিস্টোটলের কাছে সুখ মানে ক্ষনিকে জন্য অনুভূত আনন্দের কোন বিষয় ছিল না। বিস্ময়করভাবে, তিনি ভাবতেন যে, শিশুরা কখনোই সুখী হতে পারেনা। এই কথাটি আমাদের কাছে খুব অদ্ভুত শোনায়, কারণ যদি শিশুরাই সুখী হতে না পারে, তাহলে কে পারে? কিন্তু তার এই প্রস্তাবটি স্পষ্ট করে সুখ সম্বন্ধে তার দৃষ্টিভঙ্গিটি…

View original post 1,838 more words

দর্শনের সহজপাঠ – পর্ব ১ : যে মানুষটি শুধু প্রশ্ন করতেন..

জীবনের বিজ্ঞান

সক্রেটিস

প্রায় ২৪০০ বছর আগে এথেন্সে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল অতিরিক্ত বেশী প্রশ্ন করার জন্য। তার আগেও বহু দার্শনিকরা ছিলেন ঠিকই, কিন্তু সক্রেটিস এর হাত ধরেই এই দর্শন বিষয়টি সত্যিকারভাবে যাত্রা শুরু করেছিল। দর্শনের যদি কোন পৃষ্ঠপোষক সেইন্ট থেকে থাকেন, তিনি হলেন সক্রেটিস।

চ্যাপটা নাক, মোটা,বেঁটে, অগোছালো, নোংরা এবং বেশ অদ্ভুত প্রকৃতির সক্রেটিস সেই সমাজে ঠিক মানানসই ছিলেন না। যদিও শারীরিকভাবে তিনি কুৎসিত ছিলেন, প্রায়ই তিনি গোছল করতেন না, তবে তার ব্যক্তিত্বে ছিল অদ্ভুত একধরনের আকর্ষনীয়তা এবং প্রখর বুদ্ধিমত্তা আর মেধার অধিকারী ছিলেন তিনি। এথেন্স এর সবাই একমত ছিলেন অন্তত একটা বিষয়ে, তার মত এমন কাউকে আর কখনোই দেখা যায়নি এর আগে এবং সম্ভবত আর কখনোই দেখা পাওয়া যাবেনা। তিনি খুবই অনন্য একজন ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু একই সাথে তিনি ছিলেন খুবই বিরক্তিকরও। তিনি নিজেকে দেখতেন ঘোড়া বা গবাদীপশুর গায়ে কামড়ানো বিরক্তিকর মাছি, গ্যাডফ্লাই বা গোমাছির মত। তারা বিরক্তিকর তবে বড় কোন ধরণের ক্ষতি করেনা। তবে এথেন্সের সবাই অবশ্য তা…

View original post 2,284 more words