মানুষ, সব কিছুর মানদন্ড যে ..

জীবনের বিজ্ঞান

কেনেথ ক্লার্ক এর ‘সিভিলাইজেশন’ এর চতুর্থ অধ্যায় ম্যান দি মেজার অফ অল থিংস এর অনুবাদ প্রচেষ্টা..
(আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান)


উরবিনো’র ডুক্যাল প্যালেসের কোর্টইয়ার্ড

যে মানুষগুলো ফ্লোরেন্সকে (১)  ইউরোপের সবচেয়ে ধনী শহরে রুপান্তরিত করেছিল, ব্যাঙ্ক-ব্যবসায়ী পুঁজিরক্ষকরা, পশমি পশমি সুতোর ব্যবসায়ীরা, ধার্মিক বাস্তববাদীরা বাস করতেন আত্মরক্ষামূলক,নির্মম অবন্ধুভাবাপন্ন ঘরে, যেগুলো যথেষ্ট পরিমান শক্তিশালী ছিল সংঘাতময় দলগুলো মধ্যে দ্বন্দ এবং দাঙ্গায় সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখার জন্য। কিন্তু কোনভাবেই সেই নির্মানগুলো সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে অসাধারন পর্বটির আগমনের কোন পূর্বাভাষ দেয়নি, আমাদের কাছে যা পরিচিত রেনেসাঁ নামে। আপাতদৃষ্টিতে কোন কারণই নেই, কেন হঠাৎ করেই এই অন্ধকার সংকীর্ণ রাস্তা থেকেই উদ্ভুত হয়েছে এইসব আলোকময় রৌদ্রকরোজ্জল গোলাকৃতির খিলান সহ আর্কেড বা বাজার, ঋজু কার্ণিশের নীচে, আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে তারা যেন কোথাও ছুটে চলছে। তাদের ছন্দময়তা আর সুসমতায়, তাদের উন্মুুক্ত এবং উষ্ণ অভ্যর্থনাময় অনুভুতির সৃষ্টি করা মত চরিত্রটি সম্পুর্ণভাবে স্ববিরোধী বিষন্ন কৃষ্ণ গথিক শিল্পশৈলী যা এর আগে প্রাধান্য বিস্তার করে ছিলএবং এখনও কিছুটা…

View original post 1,052 more words

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s