নিয়তি যখন গিলে খায় স্বপ্নকে !

এডল্ফ  হিটলার  (ছবি সুত্র : উইকিপিডিয়া)

সত্য এমন এক রহস্যে মোড়া মুক্তো দানার মতো, পৃথিবী সব সময়ই সেই বৃত্তের চারপাশে আবর্তিত হতে থাকে,  বোধ হয় ! একমিনিট আগেও ঘটে যাওয়া ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে আমাদের শার্লক হোমসের  মত অতিবুদ্ধিমান মানুষদের প্রয়োজন হয়। যাদের আমরা দেবতা বলে পূঁজি তাদেরও চরিত্রের কত কলূষিত দিক আছে,  আর যাদের ঘৃন্য বলে জানি তাদের মাঝেও থাকতে পারে অনেক  সুপ্ত প্রতিভা।

হিটলারকে কে না চেনে ? যারা চেনে তারা তো জানেই , যারা চেনেনা তারা ও জানে যে হিটলার এক ঘৃনার নাম।  পৃথিবীর ইতিহাসে সবথেকে ঘৃনিত ব্যক্তিত্ব। অভিধানে এমন  কোনো শব্দ নেই যাতে হিটলারের   নৃশংসতার ইতিহাস বণর্না করা  সম্ভব।

এডল্ফ হিটলারের জন্ম হয়েছিল এমন এক দেশে যেখানে সুর ভেসে বেড়াই আকাশে বাতাসে ; অস্ট্রিয়া যার নাম।  আমরা জানি অস্ট্রিয়াতে জন্মগ্রহন করেছেন, এমন বিখ্যাত প্রতিভাবানদের মানুষের অভাব নেই । সুরকার মোজার্ট , সুবার্ট, বাখ থেকে শুরু করে   বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী সিগমন্ড ফ্রয়েড ,  সিম্বলিক আর্টিস্ট গুস্তাভ ক্লিম্ট বা  ইগন সিলে এবং আরো অনেকে।

এই সেই সরাইখানা Braunau am Inn, হিটলারের জন্ম স্থান, যেখানে লেখা আছে ’’ লক্ষ মৃত্যু আমাদের মনে করিয়ে দেয়  শান্তি,  স্বাধীনতার এবং গনতন্ত্রের  জন্য  আর ফ্যাসিজম নয়। ’’

(ছবি সুত্র : উইকিপিডিয়া)

এডল্ফ হিটলারের জন্ম  বসন্তের এক সন্ধ্যায় এক সরাইখানাতে  বাবামায়ের ছয় সন্তানের মধ্যে ৪র্থ সন্তান হিটলার।  বুকে তার মহৎ  এক স্বপ্ন , বড় হয়ে শিল্পী হবে সে ।  একজন মানুষের স্বপ্নই পারে, তাকে তার গন্তব্যে পৌছে দিতে । স্বপ্নহীন মানুষ যেনো ডানা  কাটা  পাখি, মুখ থুবড়ে পড়ে  থাকে । আর প্রতিকুলতা থেকে নিজেকে বাচাঁতে দিনে দিনে  হিংস্র হয়ে ওঠে । আমরা যদি না পারি কারো স্বপ্নকে ডানা  দিতে, না হলে যেনো  কারো স্বপ্নকে হত্যা না করি। কারো  জন্য হয়তো  ঔ স্বপ্নটুকুই বেঁচে থাকার শেষ সম্বল। আমরা যদি নিজেরা  নিজের স্বপ্নকেই বেড়ে উঠতে দেই , তাহলে অন্যের স্বপ্নকেও মূল্যদিতে শিখবো । স্বপ্ন‍াহত মানুষ যেনো এক অন্ধ দৈত্যের সমান।

এমন এক স্বপ্ন বুকে নিয়ে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছিলো হিটলার  আর যে কোনো শিশুর মতোই । শৈশবে আর দশটা সাধারন ছেলের মতোই , বাবাকে ক্ষেতের কাজে ও মৌমাছি চাষে  সাহায্য করতো , খেলতো  কাউবয় ও ইন্ডিয়ান ।  ক্যাথলিক স্কুলের  নিয়মিত ছাত্র ছিলো সে ।  গানের প্রশিক্ষন  নিতো নিয়মিত , এমনকি চার্চে গানও গাইতো ।  জীবন চলছিলো  স্বাভাবিক   গতিতেই ….

হিটলারের আকাঁ  জলরঙ ( ছবি সুত্র: ইন্টারনেট)

নিয়তির নিমর্ম  পরিহাস বদলে  দিতে থাকে পটভূমি, ধীরে ধীরে ভেঙ্গে যায় হিটলারের স্বপ্ন এক এক করে । ১৯০০ সালে  ছোট ভাই এডমুন্ড‘র মৃত্যূতে এমনভাবে  ভেঙ্গে  পড়লো হিটলার, যে ছেলে স্কুলে মনোযোগী ছিলো , ছিলো আত্মবিশ্বাসী , মিশুক , বিভিন্ন বিনোদন মূলক  কাজে  জড়িত রেখেছিলো নিজেকে, সে হয়ে পড়লো একা ও খিটখিটে স্বভাবের। সারাক্ষন বাবার  সাথে সংঘাত শুরু হলো , বিবাদে জড়িয়ে     পড়তো  শিক্ষকদের সাথেও । সেই সময় হিটলারের মায়ের সাথে  হিটলারের  বাবার সম্পর্ক ও ভালো যাচ্ছিলো না ।

১৯০০ সালে হিটলার যখন ক্লাসিকাল হাই স্কুলে আর্ট  শিক্ষার জন্য ভর্তি হতে  চেয়েছিল ,  বাবা তাকে জোর পূর্বক টেকনিক্যাল হাই স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয় । তিক্ততায় ভরে যায় হিটলারের মন , হিটলার হয়ে ওঠে  আরো বেশী  বিদ্রহী ।  হিটলারের  লেখা স্মৃতিচারন, ‘ My Struggle‘ এ হিটলার বলেছিলো আক্ষেপ করে : ” what little progress I was making at the technical school he would let me devote myself to the happiness I dreamed of.”

এভাবে  হিটলারের পিতার প্রতি ঘৃনা থেকে , তীব্র ঘৃনা জমে উঠতে থাকে  অস্ট্রিয়ার রাজতন্ত্রের প্রতি। ১৯০৩ সালে বাবার মৃত্যূতে আরো বেপরোয়া  হয়ে ওঠে হিটলার । স্কুলে কোনো ভাবেই  মনোযোগ  না বসাতে পেরে,ও নানা ঘটনার জন্ম দিয়ে শেষে স্কুল থেকে বহিষ্কৃত হয় ।  এরপরেও প্রিয় মায়ের সঙ্গ সহ শিল্পী হবার স্বপ্ন নিয়ে যখন বেড়ে উঠছিলো কিশোর হিটলার । তখন   ১৯০৭ সালে ক্যানসারে মায়ের মৃত্যুতে বিদ্ধস্ত  হিটলার আরো মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে ।

হিটলারের আকাঁ জলরঙে ’কোর্টইয়ার্ড ওফ ওল্ড  রেসিডেন্সি ইন মিউনিখ’, ১৯১৪ ( ছবি সুত্র: ইন্টারনেট)

এই ১৯০৭ সালে  এ্যাকাডেমি ওফ ফাইন আর্টস ভিয়েনাতে  হিটলার ভর্তির জন্য চেষ্টা করে বিফল হয় । পরের বছর আরো বেশী কঠিন পরিশ্রম করে সফল হওয়ার জন্য, কিন্তু ভাগ্যদেবী এবারো সুপ্রসন্ন হলো না ;  হিটলারকে বাতিল করে বলে দেয়া হলো  “unfitness for painting” !

হিটলার তার কাজে স্থাপত্যেকে সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতো , পরিপ্রেক্ষিতেও দক্ষতা কম ছিলো না , আর যেকোনো অপেশাদারী শিল্পীর মতোই সে শহরের ল্যান্ডস্কেপ দিয়ে শুরু করে ছবি আকাঁ । যদিও মনে করা হতো,  হিটলারের মধ্যে বিখ্যাত শিল্পী হবার তেমন কোনো সম্ভাবনা ছিলনা ;  তাকে উপদেশ দেয়া হলো, স্থাপত্যে পড়ার চেষ্টা করে দেখলে হয়তো কিছু করতে  পারে। আশাহত হয়ে  বলেছিলো হিটলার : ‘In a few days I myself knew that I should some day become an architect. To be sure, it was an incredibly hard road; for the studies I had neglected out of spite at the Realschule were sorely needed. One could not attend the Academy’s architectural school without having attended the building school at the Technic, and the latter required a high-school degree. I had none of all this. The fulfillment of my artistic dream seemed physically impossible’.

হিটলারের বর্ণনায় সেই সময়টা ছিলো তার জীবনের সব থেকে  দু:সময় । তাকে ’হোমলেস’  আশ্রয়ে থাকতে হয়েছে   । এতিমদের জন্য ভাতা ও পরে এক আত্মীয়ার কাছ থেকে কিছু অর্থ , এই মিলিয়ে চলতে হয়েছে  কষ্টকরে। সে সময় হিটলার  ছবি একেঁ  বিক্রি করতে চেষ্টা করে পর্যটকদের কাছে । সবাই জানতো তাকে উঠতি শিল্পী হিসেবে , যে জীবিকার তাগিদে নিজের আকাঁ ছবি বিক্রি করতো পথে ঘাটে ।

হিটলারের আকাঁ  জলরঙ ( ছবি সুত্র: ইন্টারনেট)

সেই এতিমভাতা থেকে হিটলার বোন পওলাকে ভাগ দিতো । এই ছোট বোন পওলা হিটলার আর সব ভাইবোনদের মাঝে  বেঁচে ছিলো শেষ  পযর্ন্ত  ।  বাকিরা সবাই অল্প বয়সেই মারা যায় । পওলাকে হিটলার বে‍চেঁ থাকার  আগ পর্যন্ত  অথনৈতিকভাবে সাহায্যে  করে গেছে । ১৯৬০ সালে পওলা মারা যায়, হিটলারের মৃত্যুর  পনেরো বছর পরে । ১৯৪৫ এর ৩০ এপ্রিল, তার জন্মদিনের ঠিক দশদিন পরে ৫৫ বছর বয়সে, এক শোচনীয় পরাজয়ের মূহুর্তে আত্মহত্যা করে,  বিশ্বের কুখ্যাত স্বৈরাচারী ফ্যাসিষ্ট এই জার্মান নেতা  ।

১৮৮৯ সালে  ২০ এপ্রিল একটি শিশু, এই পৃথিবীতে আলোর মুখ  দেখেছিলো, যার নামের অর্থ ’রাখাল’ বা ’যে কুড়ে ঘরে বাস করে’;  আর যে  কোনো শিশুর মতোই  ছিলো সে খুব সাধারন । এক স্বপ্ন ভরা চোখ নিয়ে এসেছিলো সে এই পৃথিবীতে , নিয়তির নিমর্ম  পরিহাসে তার স্বপ্ন ভেঙ্গে চূর হয়ে গেলো তার, সে স্বপ্ন ছিলো ‍আর কিছুই না  শুধুই একজন শিল্পী হবার ।

পরবর্তীতে পওলা হিটলার  ব্রিটিশ টিভিকে দেয়া  সাক্ষাতকারে নিজের ভাই সম্পর্কে   বলেছিলো ,  হিটলারের  ক্রম উত্থান তাকে চিন্তিত করে তুলছিলো । পওলার মতে হিটলার যদি স্থপতি হওয়ার  স্বপ্নকে  অনুসরন করতো তাহলে পৃথিবী রক্ষা পেতো অনেক দুশ্চিন্তা থেকে ।

জলরঙে আঁকা হিটলারের ছবি ( ছবি সুত্র: ইন্টারনেট)

এপ্রিল ২০১১, টরোন্টো

11 thoughts on “নিয়তি যখন গিলে খায় স্বপ্নকে !

  1. … ট্র্যাজিক। শুধু একনায়ক হিটলারের কথাই জানি আমরা। তাঁর শিল্পী সত্ত্বার কথা অনেকটা অগোচরেই থেকে যায়। এ পোস্ট সেটা সামনে নিয়ে এসেছে।

    ‘পওলার মতে হিটলার যদি স্থপতি হওয়ার স্বপ্নকে অনুসরন করতো তাহলে পৃথিবী রক্ষা পেতো অনেক দুশ্চিন্তা থেকে ।’ একনায়ক হিটলারের চেয়ে তাঁর বাবা বা চারপাশের আরোপিত পরিবেশকে কোন অংশে কম একনায়ক মনে হচ্ছে না। হ্যাঁ, তখন হিটলারকে আর ‘সে’ বলে সম্বোধন করতে হত না। ‘তিনি’ বলা হত।

    হিটলারের সহজাত মনটা দিনে দিনে পরিবর্তিত হয়। আর শেষে কি হল তা তো সবাই জানে। মনটা বদলে গিয়েছিল বলেই যে হিটলারকে আমরা চিনি না তাঁর স্থাপতিক স্বপ্ন আর যাকে আমরা চিনি তাঁর স্থাপতিক স্বপ্ন নিশ্চয়ই আলাদা হবে। পরিবর্তিত হিটলারের স্থাপতিক ভিশনের প্রকট প্রভাব আর তার মাধ্যমে চিন্তার পরিচয় পাওয়া যাবে মাত্র ২৮ বছর বয়সী আর সময়ের অন্যতম প্রতিভাবান উচ্চাভিলাষী স্থপতি অ্যালবার্ট স্পিয়ার এর কাজে যেখানে ‘SIZE DOES MATTER’

  2. * ওহ, আলাদা করে উল্লেখ করতে ভুলে গিয়েছিলাম হিটলার তাঁর স্থাপত্যচিন্তার বাস্তবায়নের গুরুদায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন স্পিয়ারের কাঁধে।

  3. এলবার্ট স্পিয়ার আরেকটা ট্র্যাজিক চরিত্র। ক্ল্যাসিকেল জার্মান স্থাপত্যের স্বপ্ন আর নিজের আত্নবিশ্বাস, উচ্চাকাঙ্ক্ষা আর হিটলারের একান্ত স্থপতি হবার মূল্য তাঁকে দিতে হয়েছিল দুঃখজনকভাবে। এমনটা হয়ত তাঁর ভাগ্যে জোটার কথা ছিলনা। পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোন স্থপতি এতো বড় কোন ক্লায়েন্ট পেয়েছিল কিনা সন্দেহ আছে। জেনে রাখা দরকার স্পিয়ার বয়স তখন মাত্র ২৮। আর হিটলারের প্রভাবিত করার ক্ষমতার কথা নতুন করে না বলার কিছু নেই।

    An observer at the trial, journalist and author William L. Shirer, wrote that, compared to his codefendants, Speer “made the most straightforward impression of all and … during the long trial spoke honestly and with no attempt to shirk his responsibility and his guilt”.[102] Speer also testified that he had planned to kill Hitler in early 1945 by dropping a canister of poison gas into the bunker’s air intake.[103] He said his efforts were frustrated by a high wall that had been built around the air intake.[104] Speer stated his motive was despair at realizing that Hitler intended to take the German people down with him.[103] Speer’s supposed assassination plan subsequently met with some skepticism, with Speer’s architectural rival Hermann Giesler sneering, “the second most powerful man in the state did not have a ladder.”[105]
    1946-10-08 21 Nazi Chiefs Guilty.ogv
    Play video
    October 17, 1946 newsreel of Nuremberg Trials sentencing

    Speer was found guilty of war crimes and crimes against humanity, though he was acquitted on the other two counts. On October 1, 1946, he was sentenced to 20 years’ imprisonment.[106] While three of the eight judges (two Soviet and one American) initially advocated the death penalty for Speer, the other judges did not, and a compromise sentence was reached “after two days’ discussion and some rather bitter horse-trading”.[107]

    The court’s judgment stated that:

    … in the closing stages of the war [Speer] was one of the few men who had the courage to tell Hitler that the war was lost and to take steps to prevent the senseless destruction of production facilities, both in occupied territories and in Germany. He carried out his opposition to Hitler’s scorched earth program … by deliberately sabotaging it at considerable personal risk.[108]

    -লিঙ্ক
    http://en.wikipedia.org/wiki/Albert_Speer

  4. আরে এত কিছু তো আমার আগে জানা ছিল না
    ধন্যবাদ আপু

  5. ‘এডল্ফ হিটলারের জন্ম বসন্তের এক সন্ধ্যায় এক সরাইখানাতে বাবামায়ের ছয় সন্তানের মধ্যে ৪র্থ সন্তান হিটলার। বুকে তার মহৎ এক স্বপ্ন , বড় হয়ে শিল্পী হবে সে । ‘
    ………….

    ‘ ১৯০০ সালে ছোট ভাই এডমুন্ড‘র মৃত্যূতে এমনভাবে ভেঙ্গে পড়লো হিটলার, যে ছেলে স্কুলে মনোযোগী ছিলো , ছিলো আত্মবিশ্বাসী , মিশুক , বিভিন্ন বিনোদন মূলক কাজে জড়িত রেখেছিলো নিজেকে, সে হয়ে পড়লো একা ও খিটখিটে স্বভাবের। ‘
    …………..
    ” what little progress I was making at the technical school he would let me devote myself to the happiness I dreamed of.”
    ………………..

    ‘এই ১৯০৭ সালে এ্যাকাডেমি ওফ ফাইন আর্টস ভিয়েনাতে হিটলার ভর্তির জন্য চেষ্টা করে বিফল হয় । পরের বছর আরো বেশী কঠিন পরিশ্রম করে সফল হওয়ার জন্য, কিন্তু ভাগ্যদেবী এবারো সুপ্রসন্ন হলো না ; হিটলারকে বাতিল করে বলে দেয়া হলো “unfitness for painting” !’
    …………….

    জমে থাকা এ হতাশাগুলোই কি পরবর্তী সময়ের অমাণবিক পাশবিকতা হয়ে বেরিয়ে এসেছিল?

  6. আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ… হিটলারের এই সকল গুনাবলীর কথা জানা ছিলনা … আর্টগুলো খুব পছন্দ হয়েছে … কিন্তু আমার পছন্দ হলে কী লাভ হবে ? সেই সময়ের আর্ট টিচারের যদি পছন্দ হতো তাহলে হয়তো পৃথিবীতে হিটলারের ইতিহাস অন্যভাবে লিখা হতো ।

    আশাভঙ্গের পরিনাম যে কতটুকু ভয়াবহ হতে পারে তাই দেখতে পাচ্ছি। এখনও কীএগুলো বন্ধ হয়েছে ? বাবা মায়ের চাপের মুখে যে আরো কত হিটলার তৈরী হচ্ছে তাইবা কে জানে ?!
    আবার যথেষ্ট মেধাবী হওয়া সত্তেও গুটি কয়েক সিটের কারনে অনেকে মেডিকেল …ভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারছেনা । এভাবেও যে হিটলার তৈরী হচ্ছেনা তাইবা কে বলতে পারে ?!

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s