Ways of Seeing

‘Boi Mela’, the word stands for ‘book fair’ in Bengali (Bangla), our mother tongue. It is more correctly known as ‘Ekushey Book Fair’ or ‘Amar Ekushe Grantha Melā’ (Bengali: অমর একুশে গ্রন্থ মেলা [ɔmɔr ekuʃe grɔnt̪ʰɔ mæla] Lit. “Book Fair of immortals of the 21st [of February]”). It is the national book fair of Bangladesh which is arranged each year by the Bangla Academy and take place for whole month of February in Dhaka. The book fair is dedicated to the ultimate sacrifices made by the Bangladeshi people on 21 February 1952 in a demonstration calling for the establishment of Bengali as one of the state languages of former united Pakistan. Bangladesh later emerge as an independent nation in 1971. The day 21 February is officially known as ভাষা আন্দোলন দিবস (Bhasha Andolôn Dibôs) (also শহীদ দিবস (Shôhid Dibôs)). And from 17 November 1999, UNESCO declared the day as International Mother Language Day to promote awareness of linguistic and cultural diversity and multilingualism.

This year Boi Mela has a different dimension for me. I am happy to announce the publication of my first book. It is a Bengali translation of very important art criticism book by John Berger, Ways of Seeing. I obtained the permission from original author to publish this book. It is published by Onarjo Publications, soon to be available in their stall no 297-298. I hope this book will made a contribution to our art criticism education in Bangla as well as meet the need of curious readers who wants know how art could impact every facet of our livesWOS_book_2015_for_blog

এবারের বইমেলায় দুটি বই…

Originally posted on জীবনের বিজ্ঞান :

এবারের বই মেলায় দুটি বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, প্রকাশ করছে অনার্য প্রকাশনী, এটাই বই প্রকাশনার জগতে আমার এবং আসমা সুলতানার প্রথম প্রবেশ..

প্রথম বইটি ওয়েজ অব সিইং , সত্তরের দশকে এটি লিখেছিলেন বৃটিশ শিল্প সমালোচক জন বার্জার, একই নামে তাঁর একটি যুগান্তকারী টিভি প্রামাণ্য অনুষ্ঠানের. ভিত্তি করে। এটি শিল্পী আসমা সুলতানা এবং আমার যৌথ অনুবাদ প্রচেষ্টা। শিল্পী রেনে ম্যাগরিট এর তৈলচিত্র দি হিউমান কন্ডিশন এর ভিত্তি করে বইটির প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেছেন শিল্পী আসমা সুলতানা। শিল্পকলার অনুরাগী এবং  দৈনন্দিন জীবনে শিল্পকলার প্রভাব কত সর্বব্যাপী হতে পারে, সেটি যারা জানতে আগ্রহী তাদেরকে এই বইটি হতাশ করবে না ।

WOS_book_2015_for_blog

দ্বিতীয় বইটি দি গড ডিল্যুশন, ২০০৬ সালে প্রকাশিত বিবর্তন জীববিজ্ঞানী রিচার্ড ডকিন্স এর এই বইটির বেশ কয়েকটি অধ্যায় আমি ধারাবাহিকভাবে অনুবাদ করেছিলাম এই ব্লগের জন্য, অনেকেই একারণে এই ব্লগটিতে এসেছেন, অবশেষে এবারের বইমেলায় এটি বই হিসাবে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এটিরও প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেছেন আসমা সুলতানা তার নিজের একটি চিত্রকর্ম ‘মিরর’ ব্যবহার…

View original 18 more words

দর্শনের সহজপাঠ – পর্ব ২ : সত্যিকারের সুখ

Originally posted on জীবনের বিজ্ঞান :

অ্যারিস্টোটল ( ৩৮৪-৩২২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)

‘একটি কোকিল মানেই বসন্ত নয়’ – আপনি ভাবতেই পারেন এমন কোন বাক্য হয়তো এসেছে উইলিয়াম শেক্সপিয়ার অথবা অন্য কোন মহান কবির কবিতা থেকে। শুনলেও মনে হয় সেটাই তো হওয়া উচিৎ। কিন্তু বাস্তবিকভাবে বাক্যটিকে আমরা খুজে পাবো ‘দি নিকোম্যাকিয়ান এথিকস’ নামে অ্যারিস্টোটল এর একটি বইতে। বইটির নাম এরকম হবার কারণ এটি অ্যারিস্টোটল উৎসর্গ করেছিলেন তার ছেলে নিকোম্যাকাসকে। তিনি এই বাক্যটির মাধ্যমে যা বোঝাতে চাইছিলেন সেটি হচ্ছে, বসন্ত কিংবা গ্রীষ্ম এসেছে সেটি প্রমান করার জন্য একটি মাত্র কোকিলের আগমনের চেয়েও আরো বেশী কিছুর প্রয়োজন আছে এবং একটি উষ্ণ দিন, বা অল্প কিছু মহুর্তের আনন্দ আর সত্যিকারের সুখ কিন্তু এক নয়। অ্যারিস্টোটলের কাছে সুখ মানে ক্ষনিকে জন্য অনুভূত আনন্দের কোন বিষয় ছিল না। বিস্ময়করভাবে, তিনি ভাবতেন যে, শিশুরা কখনোই সুখী হতে পারেনা। এই কথাটি আমাদের কাছে খুব অদ্ভুত শোনায়, কারণ যদি শিশুরাই সুখী হতে না পারে, তাহলে কে পারে? কিন্তু তার এই প্রস্তাবটি স্পষ্ট করে সুখ সম্বন্ধে তার দৃষ্টিভঙ্গিটি…

View original 1,838 more words

দর্শনের সহজপাঠ – পর্ব ১ : যে মানুষটি শুধু প্রশ্ন করতেন..

Originally posted on জীবনের বিজ্ঞান :

সক্রেটিস

প্রায় ২৪০০ বছর আগে এথেন্সে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল অতিরিক্ত বেশী প্রশ্ন করার জন্য। তার আগেও বহু দার্শনিকরা ছিলেন ঠিকই, কিন্তু সক্রেটিস এর হাত ধরেই এই দর্শন বিষয়টি সত্যিকারভাবে যাত্রা শুরু করেছিল। দর্শনের যদি কোন পৃষ্ঠপোষক সেইন্ট থেকে থাকেন, তিনি হলেন সক্রেটিস।

চ্যাপটা নাক, মোটা,বেঁটে, অগোছালো, নোংরা এবং বেশ অদ্ভুত প্রকৃতির সক্রেটিস সেই সমাজে ঠিক মানানসই ছিলেন না। যদিও শারীরিকভাবে তিনি কুৎসিত ছিলেন, প্রায়ই তিনি গোছল করতেন না, তবে তার ব্যক্তিত্বে ছিল অদ্ভুত একধরনের আকর্ষনীয়তা এবং প্রখর বুদ্ধিমত্তা আর মেধার অধিকারী ছিলেন তিনি। এথেন্স এর সবাই একমত ছিলেন অন্তত একটা বিষয়ে, তার মত এমন কাউকে আর কখনোই দেখা যায়নি এর আগে এবং সম্ভবত আর কখনোই দেখা পাওয়া যাবেনা। তিনি খুবই অনন্য একজন ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু একই সাথে তিনি ছিলেন খুবই বিরক্তিকরও। তিনি নিজেকে দেখতেন ঘোড়া বা গবাদীপশুর গায়ে কামড়ানো বিরক্তিকর মাছি, গ্যাডফ্লাই বা গোমাছির মত। তারা বিরক্তিকর তবে বড় কোন ধরণের ক্ষতি করেনা। তবে এথেন্সের সবাই অবশ্য তা…

View original 2,284 more words

অবশেষে….. দুটো বই প্রকাশিত..

Asma Sultana:

When love and skill work together, expect a masterpiece. – John Ruskin

Originally posted on জীবনের বিজ্ঞান :

boiছবি কৃতজ্ঞতা: লিপন মুস্তাফিজ

পাওয়া যাচ্ছে অনার্য প্রকাশনীর স্টলে..(১৯৭-১৯৮)

View original

মানুষ, সব কিছুর মানদন্ড যে : দ্বিতীয় পর্ব

Originally posted on জীবনের বিজ্ঞান :

কেনেথ ক্লার্ক এর ‘সিভিলাইজেশন’ এর চতুর্থ অধ্যায় ম্যান দি মেজার অফ অল থিংস এর অনুবাদ প্রচেষ্টা..

(আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান)

মানুষ, সব কিছুর মানদন্ড যে : প্রথম পর্ব
মানুষ, সব কিছুর মানদন্ড যে : দ্বিতীয় পর্ব

বতিচেল্লী, সেইন্ট অগাস্টিন

ফ্লোরেন্সে পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম ত্রিশ বছর ছিল জ্ঞানার্জণের জন্য একটি বীরোচিত পর্ব, যখন নতুন নতুন গ্রন্থের সন্ধান মিলেছে এবং সম্পাদিত হয়েছিল বহু প্রাচীন গ্রন্থ, যখন বিদ্বানরা ছিলেন শিক্ষক, শাসক আর নৈতিকতার পথপ্রদর্শক। রেনেসাঁ পর্বে অসংখ্য চিত্র আছে যেখানে বিদ্বানরা তাদের অধ্যয়নের নিমগ্ন, সাধারণত বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই যার প্রতিনিধিত্ব করতো খ্রিস্টীয় চার্চের অন্যতম পিতাদের কোন একজন, জেরোম (১)  অথবা অগাস্টিন (২)। তাদের দেখে মনে হয় তাঁরা বেশ স্বাচ্ছন্দে বসে আসছেন আসবাবপত্রে সুসজ্জিত অধ্যয়ন কক্ষে, যেখানে তাকের উপর জড়ো হয়ে আছে তাদের বই, সেগুলোর পাঠ্যাংশ উন্মুক্ত হয়ে আছে তাদের সামনে। মহাবিশ্ব সম্বন্ধে তাদের গভীর ধ্যানে সহায়তা করছে স্বর্গীয় গোলক। বতিচেল্লীর (৩) সেইন্ট অগাষ্টিন এ যে তীব্র আবেগময় ব্যগ্রতা আমরা দেখি…

View original 1,651 more words

মানুষ, সব কিছুর মানদন্ড যে ..

Originally posted on জীবনের বিজ্ঞান :

কেনেথ ক্লার্ক এর ‘সিভিলাইজেশন’ এর চতুর্থ অধ্যায় ম্যান দি মেজার অফ অল থিংস এর অনুবাদ প্রচেষ্টা..
(আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান)


উরবিনো’র ডুক্যাল প্যালেসের কোর্টইয়ার্ড

যে মানুষগুলো ফ্লোরেন্সকে (১)  ইউরোপের সবচেয়ে ধনী শহরে রুপান্তরিত করেছিল, ব্যাঙ্ক-ব্যবসায়ী পুঁজিরক্ষকরা, পশমি পশমি সুতোর ব্যবসায়ীরা, ধার্মিক বাস্তববাদীরা বাস করতেন আত্মরক্ষামূলক,নির্মম অবন্ধুভাবাপন্ন ঘরে, যেগুলো যথেষ্ট পরিমান শক্তিশালী ছিল সংঘাতময় দলগুলো মধ্যে দ্বন্দ এবং দাঙ্গায় সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখার জন্য। কিন্তু কোনভাবেই সেই নির্মানগুলো সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে অসাধারন পর্বটির আগমনের কোন পূর্বাভাষ দেয়নি, আমাদের কাছে যা পরিচিত রেনেসাঁ নামে। আপাতদৃষ্টিতে কোন কারণই নেই, কেন হঠাৎ করেই এই অন্ধকার সংকীর্ণ রাস্তা থেকেই উদ্ভুত হয়েছে এইসব আলোকময় রৌদ্রকরোজ্জল গোলাকৃতির খিলান সহ আর্কেড বা বাজার, ঋজু কার্ণিশের নীচে, আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে তারা যেন কোথাও ছুটে চলছে। তাদের ছন্দময়তা আর সুসমতায়, তাদের উন্মুুক্ত এবং উষ্ণ অভ্যর্থনাময় অনুভুতির সৃষ্টি করা মত চরিত্রটি সম্পুর্ণভাবে স্ববিরোধী বিষন্ন কৃষ্ণ গথিক শিল্পশৈলী যা এর আগে প্রাধান্য বিস্তার করে ছিলএবং এখনও কিছুটা…

View original 1,052 more words

Beautiful Losers: পৃথিবীর সব উপেক্ষিত শিল্পীর প্রতি আমার শ্রদ্ধা….

Originally posted on জীবনের বিজ্ঞান :

Poetry is just the evidence of life. If your life is burning well, poetry is just the ash. Leonard Cohen

He knew that hair couldn’t feel; he kissed her hair. (Leonard Cohen, The Favorite Game) (Drawing: Ink on paper, Kazi Mahboob Hassan,2011)

আমার নি;শ্বাস তোমার
শরীরের ভাজে পড়বে বলে
আগুন জ্বেলেছি তিতীর্ষ ার জলে
দেখেছি সব সাগর শামুক
পালিয়ে বাঁচে, মহুয়া এক অন্ধকারে..

কি অদ্ভুত ! তুমিও কাদছো
আমিও ভাসি চোখের জলে
সময় অসময়
কুন্ডলী পাকানো শামুকের দলে
মিলে সব, নোনা জলে –
জ্বলে থাকে শুধু একটি তারা, আকাশের তলে

তোমার শরীরে  আমার
তপ্ত শ্বাস পড়বে বলে
বাসর সাজিয়েছি তৃষ্ণা ফুলে
কার কি এসে যায় তাতে?

রোজ আমি ভাসি চোখের জলে
তপ্ত শ্বাসেই আমার সাজা …

কি অদ্ভুত ! তোমার চোখ কেন ভেজা ?

( কবিতা:  আসমা সুলতানা, আগষ্ট ১৬, ২০০৯)

View original

I Want to Die Before You:

Originally posted on জীবনের বিজ্ঞান :

(নাজিম হিকমতের একটি কবিতার আংশিক অনুবাদ প্রচেষ্ঠা:
আর নীচের ড্রইং গুলো আমার সংগ্রহে থাকা শিল্পী আসমা সুলতানা মিতার আকা চারটি ড্রইং)

তোমার আগেই আমি মরতে চাই।
তোমার কি মনে হয়,
যে পরে আসে সে কি যে আগে যায় তাকে খুজে পায়?
আমার তা মনে হয় না।

আমার শবদেহ বরং তুমি পুড়িয়ে ফেলো,
তারপর তোমার ঘরের চুলোর উপরে একটা পাত্রে আমাকে তুলে রেখো
পাত্রটি হবে কাচের স্ফটিক স্বচ্ছ সাদা কাচের..
যেন তুমি এর ভিতরে আমাকে দেখতে পারো..

তুমি আমার বিসর্জনকে দেখবে.
.মাটির অংশ হওয়া থেকে আমি নিজেকে বঞ্চিত করেছি..
একটি ফুল হবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছি নিজেকে..

তোমার সাথে থাকতে পারি যেন..সেজন্য
আর আমি পরিণত হচ্ছি ধুলোয়..
তোমার সাথে থাকার জন্য..

পরে যখন তোমাকেও ছোবে মৃত্যু,
আমার এই কাচের পাত্রেই তুমি আসবে।
সেখানেই আমরা দুজনে একসাথে থাকবো…
তোমার দেহভস্ম আমার দেহভস্মের মাঝে..
যতদিন না কোন এক অমনোযোগী বধু
বা…

View original 178 more words